Logo
Notice :
Welcome To Our Website...

বরিশাল সদর ছাত্রলীগে পদ নিয়ে লড়াই স্বঘোষিত নেতাদের নাটকীয়তার অদ্ভূদয়

শাকিব বিপ্লব,বরিশাল ।। নেতত্বহীন বরিশাল সদর উপজেলা ছাত্রলীগে দেখা দিয়েছে নতুন উত্তাপ। প্রথমে সভাপতি রাশেদুল ইসলাম রাসেল এবং সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান সুজন সদ্য বহিষ্কৃত হলে নেতৃত্ব নিয়ে নাটকীয় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ইতিমধ্যে কেউ কেউ স্বঘোষিত নেতা হিসেবে দাবী করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের ছবিসহ প্রচার করে বিভ্রান্তির মধ্যে ফেলেছে সংগঠনের কর্মীদের। জেলা ছাত্রলীগের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো ব্যাখ্যা বা প্রতিবাদ না দেওয়ায় ধুমজালে বন্দি এখন সদর উপজেলা ছাত্রলীগের রাজনীতি। দল ঘনিষ্ট একাধিক সূত্রের অভিন্ন দাবী, সদ্য বহিষ্কৃত সংগঠনের সাধারন সম্পাদক আশিকুর রহমান সুজন ফের দল এবং স্বপদে ফিরে আসার গুঞ্জনে জেলা ছাত্রলীগের একটি অংশ এই নেতার ফিরে আসার পথ রুখতে তাদের অনুসারী অথবা নতুন মুখ কাউকে উৎসাহিত করায় সংগঠন সংশ্লিষ্ট কোনো কোনো নেতা নিজেরাই বিশেষ করে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে। আবার এমন অনেক তরুণ রয়েছেন যারা সংগঠনের কোন নেতৃত্বে নেই, এমনকি অতীতে মাঠের রাজনীতিতে দেখা যায়নি, এ ধরনের তরুণদের মধ্যকার একজন নেতৃত্বের প্রত্যাশায় নিজেকে বিভিন্নভাবে উপস্থাপন করছেন। এক্ষেত্রে ফেসবুক অথবা পোর্টাল অনলাইন দৈনিকে তার আকাঙ্খা ব্যক্ত করে জেলা আ’লীগের নজর কারতে চাইছে বলে ধারণা পাওয়া যায়। বিশেষ করে ঘোলাটে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে সাধারণ সম্পাদক পদ নিয়ে। রিয়াজ আহম্মেদ নামক এক তরুণ নিজেকে এই পদে ভারপ্রাপ্ত দায়িত্বধারী দাবি করে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়ার পরই এই সংগঠনে নানান নাটকীয় পর্বের অবতারণা ঘটে শুরু করে। সূত্র জানায় তরুণ বয়সী রিয়াজ একমাত্র ব্যাক্তি যে কিনা স্বউদ্যোগে এই ঘোষণা দিলেন। যদিও তিনি অপুনঙ্গ এই সংঘঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন বলে দাবি করে বলেন, সম্পাদক পদ শূণ্য হওয়ায় সাংগঠনিক নীতির আলোকে তিনি ওই পদে আপনা আপনি ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। রাজনীতি অপেক্ষা রিয়াজ আহম্মেদ সাংবাদিকতা পেশার সাথে জড়িত। সাংগঠনিকভাবে অতটা পরিচিত নয়। ঐ সূত্রটি জানায়, এই তরুণ পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর অনুগত। তার বাড়ি কীর্তনখোলা নদীর পূর্ব জনপদে। পাঁচটি ইউনিয়নের সমন্বয়ে এই অঞ্চল আশিকুর রহমান সুজনের একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রন ছিলো। তিনি সিটি মেয়র ও নগর আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক সাদিক আব্দুল্লাহর অনুগত্য হিসেবে স্থানীয় রাজনীতিতে পরিচিত। বরিশাল আ.লীগের আভ্যন্তরীন রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তারের লড়াইয়ে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ওই ইউনিয়নে নিজের অবস্থান সুসংগত করার ক্ষেত্রে অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছিল এই সুজন। যদিও এই প্রতিমন্ত্রীর অনুসারী সাবেক ছাত্রলীগ নেতা জাহিদ হোসেন একটি বলয় তৈরিতে দীর্ঘদিন ধরে বেশ তৎপর ছিলেন। কিন্তু মেয়র সমর্থিত সদর উপজেলা ছাত্রলীগের নিজেদের ক্ষমতার ভারসাম্য সৃষ্টি করতে ব্যর্থ হয়। সম্প্রতি সংগঠনের সভাপতি রাশেদুল ইসলাম রাসেল দলীয় অনুপ্রবেশকারী হিসেবে চিহ্নিত হওয়ায় তাকে অব্যাহতি দেয়ার পর আশিকুর রহমান সুজনের হাতে চলে আসে গোটা সংগঠনের নেতৃত্ব। সূত্রমতে, একদিকে মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহর আর্শীবাদ অন্যদিকে সংগঠনের একক নেতা হওয়ায় আশিকুর রহমান সুজন সদর উপজেলার নেতা হলেও সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন ঘটনায় জেলা ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দের থেকেও তিনি বেশিমাত্রায় আলোচিত ছিলেন। অভিযোগও রয়েছে, একক ক্ষমতা পাওয়ার পর সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক হিসেবে এই নেতা সর্বত্রই প্রভাব বিস্তার করে। পাশাপাশি তার কিছু কর্মকান্ডে বিতর্ক জন্ম দেয়। এনিয়ে জেলা ছাত্রলীগের একটি অংশ সুজনের বিরোধীতা করে আসছিলো। সুজনের অগ্রযাত্রা রোধকল্পে একটি প্রেক্ষাপট তৈরিতে বেশ কয়েকমাস ধরে নানা পরিকল্পনা চলছিলো বরিশাল ছাত্রলীগে। কিন্তু মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহর সান্নিধ্যে থাকায় এবং রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বেশ সক্রিয় ভূমিকা রাখায় সুজনের বিরোধী অংশ জেলা পর্যায়ের শক্তিধর নেতা হলেও তার সাথে পেরে উঠছিলো না।

অপর একটি সূত্রের দাবী , সুজন বিরোধী জেলা কমিটিও সাদিক আব্দুল্লাহর অনুগত্য হওয়ায় তারা কখনও প্রকাশ্য কোন ভূমিকায় নেই। তবে শুধু সুজন নয়, উপজেলা কমিটির সভাপতি রাশেদুল ইসলাম রাসেলকেও মানতে পারছিল না। ফলে জেলা কমিটির সাথে উপজেলা কমিটির নেতৃত্ব নিয়ে দূরাত্বে বৈরীতা চরম আঁকার ধারণ করে। রাশেদুল ইসলাম রাসেল মেয়রের অনুসারী হলেও ঘটনাচক্রে শীর্ষ এই নেতার বিরাগভাজন হয়ে কোনঠাসা হয়ে পড়লে আপনা-আপনি সুজনের দাপটীয় যুগের অদ্ভদায় ঘটেছিল। একপর্যায়ে কেন্দ্রীয়ভাবে আ’লীগের মধ্যে অনুপ্রবেশকারী বিষয়টি নিয়ে হৈচৈ শুরু হলে রাশেদুল ইসলাম রাসেল গোয়েন্দা তদন্তে ঐ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় তাকে গত বছরের প্রায় শেষান্তে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়। দলের মধ্যে কথা চালু রয়েছে যে, দীর্ঘদিন ধরে ক্ষুদ্ধ জেলা কমিটি এই সুযোগে তাৎক্ষণিক সদর উপজেলা সভাপতি রাসেলকে বহিষ্কার করলে এই ছাত্র নেতা জেলা আ.লীগের কোনো নেতার দুয়ারে দাঁড়িয়ে সহানূভূতি না পেয়ে রাজনীতি থেকে হারিয়ে যান। দ্বিতীয় ধাপে তোপের মুখে ছিলো সুজন। গত এপ্রিল মাসের শেষে এসে দুটি ঘটনায় সদর উপজেলার সাধারণ সম্পাদক তরুণ এই নেতা রাজনীতির ঘোর-প্যাচে পড়ে যায়। চড়কাউয়ায় বিদ্যুৎ নিয়ে বিদ্রোহ এবং জেলা প্রশাসক সম্পর্কে একটি বেফাঁস মন্তব্য করায় গোটা ঘটনায় জেলাসহ নগর আ.লীগ বিব্রতকর অবস্থায় পড়লে সুজনের রাজনীতির ছন্দপতন ঘটে। তার বহিষ্কারাদেশ ত্বরান্বিত হয়। সাংগঠনিক সূত্রের দাবি, এই প্রতিকূল পরিস্থিতিতে সুযোগ নেয় জেলা ছাত্রলীগের একটি প্রভাবশালী অংশ। অন্যদিকে মেয়র সাদিক সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ধরে রাখতে তাকে বহিষ্কারে সায় দিলে ২৯ এপ্রিল জেলা ছাত্রলীগের এক বৈঠকে এই চূড়ান্ত, সুজনও ছিটকে পরে রাজনীতি থেকে। এমনকি মামলার আসামী হয়ে আত্মগোপনে যেতে বাঁধ্য হয়েছে। সূত্র জানায়, বিতর্ক এড়াতেই এই ছাত্র নেতাকে আপাতত আড়ালে থাকতে মূল দলের তার সমর্থিত নেতারা পরামর্শের আলোকেই সুজন নিরব হয়ে যায়। ফলে সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক বিহীন অপূর্ণাঙ্গ কমিটি ধমকে দাঁড়ায়, দেখা দেয় নেতৃত্বের শূণ্যতা। সংগঠনের একটি সূত্র নিশ্চিত করে, ২০১৬ সালে সদর উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটি গঠিত হলেও গত ৪ বছরে পূণাঙ্গ কমিটির অনুমোদন মেলেনি। গঠিত কমিটিতে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ সহ-সভাপতি শায়েস্তবাদের সুমন, যুগ্ম সম্পাদক রিয়াজ ও সাংগঠনিক সম্পাদক মঈন ও তার সহকারী বাপ্পির নাম অন্তর্ভূক্ত ছিল। কিন্তু রাজনীতির মাঠে নেতৃত্বের যায়গায় রাসেল ও সুজন ব্যতিত আর কারো ভূমিকা দেখা যায়নি। তাছাড়া কোন নেতার আর্শীবাদ পুষ্ট হয়ে নিজেদের উপস্থাপন করতে সক্ষমও হয়নি। দুই পর্বে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সংগঠন থেকে বষ্কিকৃত হওয়ায় সংগত কারণে সদর উপজেলা ছাত্রলীগের নেতৃত্বের প্রশ্ন সামনে আসে। এই অবস্থায় শুরু হয় এই দুটি গুরুত্ব পদে নতুন নেতৃত্ব লাভের দৌঁড়ঝাপ। ইতিমধ্যে গুঞ্জন উঠেছে সুজন ফের দলে ফিরে আসছে, এমন বার্তায় সংগঠনের মধ্যে নেতৃত্ব লাভের নাটকীয়তায় বেশ কয়েকটি ঘটনায় সংগঠনে উত্তাপ বৈতে শুরু করেছে। একটি সূত্রের ভাষ্য হচ্ছে, সুজন যেনো সংগঠনে পুনরায় ফিরে আসতে না পারে অথবা ফিরে আসলেও স্বপদে পূর্ণবহাল ঠেকাতে জেলা কমিটি তৎপর হয়ে উঠেছে, এমন তথ্য পাওয়া যায়। স্থানীয় রাজনীতিতে ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ নগর আ’লীগের নেতা হলেও জেলা ছাত্রলীগ তার অনুগত তবে সুজনের পথ রুখতে বিকল্প চিন্তা করলেও এই মুহুর্তে প্রকাশ্যে কোন ভূমিকায় না গিয়ে কৌশলী পথে অগ্রসর হয়েছে। চাইছে নগর আ’লীগের শীর্ষ নেতা সিটি মেয়র সাদিক আবদুল্লাহর মনভাব আঁচ করতে, তিনি কি চান? জেলা ছাত্রলীগের ঐ অংশটি শুধু সুজন নয়, বহিষ্কৃত রাসেলের বিষয়ও সজাগ বলে জানা গেছে। তারা চাচ্ছে, দুই ছাত্র নেতার বাইরে বিকল্প নেতা হিসেবে নতুন কিছু মুখ উপস্থাপন করে তাদের যোগ্যতার মূল্যায়ন, এবং মূল দলের দায়িত্বশীল নেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা। এক্ষেত্রে কৌশলে সামনে নিয়ে আসা হয়েছে মোঃ রায়হান হোসেন হীরা নামক এক তরুণকে। কে এই হীরা, তার রাজনৈতিক ব্রাকগ্রাউন্ড কি? সেই প্রশ্নের উত্তরে জানা গেলো এই তরুন রাজনীতিতে অতোটা সক্রিয় নয়। সদ্য বহিষ্কৃত নেতা সুজনের সহোচর হিসেবে মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহর কালীবাড়ী সড়কের বাসভবনে যাতায়েত করলেও পরিচয়ের ব্যাপ্তি খুবই স্বল্প। চড়কাউয়া এলাকার সুজনের বাড়ির পড়শী বাসিন্দা এই তরুনের শিক্ষাগত যোগ্যতার মাপকাঠি নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। তবে অর্থবিত্তে বেশ স্বচ্ছল বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। সূত্র মতে, সুজন বিরোধীরাই তাকে সামনে টেনে এনেছে। এক্ষেত্রে মহানগর ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রাজিব আহম্মেদ এই তরুণকে পথ বাতলে দিচ্ছেন কীভাবে মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহর নজর কেড়ে অন্তত সুজনের স্থলে তাকে বসানো যায়। ইতোমধ্যে এই তরুণ নেতৃত্ব পাওয়ার আঙ্খাকায় মিডিয়ার দরজায় ঘুরছে এবং অর্থ বিছিয়ে দিয়ে একটি পথ তৈরিতে অগ্রসর হয়ে বেশ সক্রিয় হয়ে উঠেছেন। অবশ্য জেলা ছাত্রলীগের সুজনবিরোধী বড় অংশটি হীরাকে চাচ্ছে না। তাদের পছন্দ কে সেই নতুন মুখ তাও পরিষ্কার করছে না রাজনৈতিক কৌশলগত কারণে। একদিকে সভাপতি হিসেবে হীরা অন্যদিকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে রিয়াজ আলোচনায় থাকলেও এই দুই নেতাকে নিয়ে জেলা ছাত্রলীগের মূল নেতৃবৃন্দের মন্তব্য ইতিবাচক নয়। এ প্রসঙ্গে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আব্দুল রাজ্জাকের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তার মন্তব্য হচ্ছে যে কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নেই তাছাড়া অপূর্ণঙ্গ কমিটির আর কোন কার্যকারিতা নেই। বহিষ্কৃত সভাপতি রাসেল ও সুজন পুনরায় দলের ফিরে আসার গুঞ্জনের বিষয়টি অবন্তর বলে একটি ব্যাখ্যা দেন যে, একবার যাদের বিদয় ঘটেছে, তাদের ফিরে আসা সম্ভাবনার স্বপ্ন দেখার সুযোগ নেই। রিয়াজ আহম্মেদের প্রশ্ন তিনি সাংগঠনিক নীতিমালার আলোকে সাধারণ সম্পাদক পদে অসিম হতে অন্তরায় কোথায়? যেকারণে ফেসবুকে স্ট্যাটার্স দিয়েছেন বলে সরল স্বীকারোক্তি দেন এই প্রতিবেদকের কাছে। সদর উপজেলার সাধারণ সম্পাদকের শূণ্য পদে সাংগঠনিকভাবে রিয়াজ আহম্মেদ ভারপ্রাপ্তের দায়িত্ব পেয়েছিন কি না, সে প্রশ্নে উত্তরে জেলা ছাত্রলীগের ওই দায়িত্বশীল নেতা জানান, এ ধরণের কোন অনুমোদন দেয়নি। তা হলে এই ঘোষণার বৈধতা নিয়ে আনুষ্ঠনিক কোন ব্যাখ্যা বা প্রতিবাদ নেই কেনো, সেই উত্তর কৌশলে এড়িয়ে যাওয়া হয়। অপর একটি সূত্র জানায়, রিয়াজ আহম্মেদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক শামীমের অনুসারী হওয়ায় তার এই দাবি ধোপে টিকছে না। জেলা ছাত্ররীগের নিয়ন্ত্রক স্থানীয়ভাবে জেলা আ’লীগের শীর্ষ নেতা আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর হাতে থাকলেও সবকিছু নির্ভর করছে নগর আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক মেয়র সাদিক আবদুল্লাহর গ্রীন সিগন্যালের ওপর। সদর উপজেলার নতুন কমিটি আসছে, না কি পুর্ণাঙ্গ কমিটি নতুন আদলে সাজানো হবে সেই প্রশ্ন এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কেউ কেউ বলছে, সুজন আবার দলে ফিরছেন এটাই সত্য। এরপর ঘটবে পূর্ণাঙ্গ কমিটির নতুন রূপ। এক্ষেত্রে বরিশাল ক্ষমতাসীন দলে মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ ভার্সেস প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুকের মধ্যেকার দুই নেতার নেতৃত্বের লড়াইয়ে ভারসাম্য রাখতে নদীর পূর্ব জনপদের রাজনীতিতে সুজনের বিকল্প না থাকায় এমনটি ধারণা করা হচ্ছে। এই রিপোর্ট লেখার প্রাক্কালে আজ বুধবার অপারাহ্নে আশিকুর রহমান সুজন তার ফেসবুক আইডিতে একটি স্ট্যাটার্স নিয়েছেন- আবার দেখা হবে রাজপথে। সংগঠনে ফের তার ফিরে আসার ইঙ্গিত এই স্ট্যাটার্সে বহন করছে কি না, তা নিয়ে গুঞ্জন-ইঙ্গিত যেনো আর জোড়ালো রূপ নিলো।

Print Friendly, PDF & Email

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *