Logo
Notice :
Welcome To Our Website...
News Headline :
পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তির ২৪ বছর পূর্তি উপলক্ষে বরিশাল ১০নং ওয়ার্ড আ’লীগের আনন্দ র‌্যালি বরিশালে চাকরি প্রার্থীদের অর্ধকোটি টাকা নিয়ে লাপাত্তা আরএম গ্রুপ কুয়াকাটা সৈকতে রাতের আকাশে ফানুসের মেলা কাউন্সিলর হত্যা মামলার প্রধান আসামি ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত পটুয়াখালীতে ১৪ মণ জাটকা জব্দ, তিন ব্যবসায়ীকে জরিমানা গভীর রাতে সাজেকে ৪ রিসোর্ট পুড়ে ছাই, সাড়ে ৩ কোটি টাকার ক্ষতি বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে রেকর্ড সংখ্যক ভর্তির আবেদন বরিশালে পার্বত্য শান্তি চুক্তির ২যুগ পূর্তি উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পূস্পার্ঘ অপর্ণ যে কোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশ সদাপ্রস্তুত : প্রধানমন্ত্রী এবার বৃদ্ধাকে ধাক্কা দিলো সিটি করপোরেশনের ময়লার গাড়ি
বরিশাল ছাত্রলীগ নেতা অস্ত্র নিয়ে বৈঠকে , থানায়ও প্রবেশ করেন

বরিশাল ছাত্রলীগ নেতা অস্ত্র নিয়ে বৈঠকে , থানায়ও প্রবেশ করেন

শাকিব বিপ্লব ।।
বরিশাল ছাত্রলীগের একসময়কার প্রভাবশালী নেতা জাহিদ হোসেন অর্থবিত্ত ও প্রাচুর্যের দম্ভে তার লাইসেন্সকৃত শটগান নিয়ে শালিস বৈঠকের টেবিলে রাখেন। আবার স্থানীয় বন্দর থানায় প্রবেশ করে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার টেবিলের উপরে রেখে আলাপচারিতায় পুলিশ কর্মকর্তারাই বিব্রত। একজন মন্ত্রীর অনুগত্য হওয়ায় এনিয়ে কেউ প্রতিবাদ করতে সাহস নিতে চাচ্ছেন্ া। তবে এনিয়ে জোর সমালোচনা শুনলে পাল্টা ব্যাখ্য্া দিয়ে কথা বলার পথ বন্ধ করে দেন। সাবেক এই ছাত্রনেতার চলনবলন নিয়ে নিজ এলাকা চাঁদপুরাসহ সদর উপজেলার পাঁচ ইউনিয়নের মানুষ বর্তমানে তিক্ত-বিরক্ত। তারাই এখন প্রকাশ করছে রাজনীতিতে পদহীন এই যুবকের প্রতারনার বহুমুখী কাহিনী। মূলত, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ নয়, আর্থিক দ্বন্দে জড়িয়ে পড়ায় নিজের নিরাপত্তার স্বার্থে বৈধ লাইসেন্সের অধিকারী হয়েছেন। কিন্তু জাহিদ হোসেনের মতো ব্যাক্তির অস্ত্রের লাইসেন্স কোন প্রয়োজনীয়তায় জেলা প্রশাসন অনুমোদন দিয়েছেন তা নিয়েও জোরালো বিতকের্র কথা এলাকায় পা ফেললে অথবা দূর থেকেও শোনা যায়।
স্থানীয় সূত্রগুলো জানায়, দীর্ঘকাল সদর উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্ব¦ায়ক হিসেবে জাহিদ হোসেন ক্ষমতার আমলে রাজনীতির বদলে কীভাবে স্বল্প সময়ে আর্থিক স্বচ্ছলতা অর্জন করা যায়, সেই কৌশলী পথে হাঁটতে গিয়ে বার বার নেতা পরিবর্তন করেছেন। প্রয়াত আ.লীগ নেতা শওকত হোসেন হিরনের হাত ধরে রাজনৈতিতে উত্থান জাহিদ একনাগারে ১৩ বছর সদর উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়কের দায়িত্বে ছিলেন। বরিশাল নগর আ.লীগের শীর্ষ নেতা তার জীবদ্দশায় সিটি কর্পোরেশনের মেয়র থাকাকালীন বিভিন্ন ঠিকাদারী কাজ বাগিয়ে নিয়ে এই ছাত্রনেতা আর্থিকভাবে জৌলুস ফিরে পান। এরপর তাকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি।
প্রয়াত নেতার মৃত্যুর পর তার স্ত্রী জেবুন্নেসা আফরোজ ২০১৪ সালে সদর আসনের দলীয় সাংসদ নির্বাচিত হলে জাহিদের প্রভাব একটুও খর্ব হয়নি। এই সময় ঠিকাদারি ব্যাবসায়ীক অংশিদারদের অর্থ আত্মসাৎ, পাশাপাশি বিভিন্নজনকে চাকুরি দেওয়ার নামে মোটা অঙ্কের অর্থ নেওয়ার প্রতারণার বহুমুখী অভিযোগ রয়েছে। এক্ষেত্রে জাহিদ একই বাড়িতে বসবাস আপন চাচাতো ভাইকে চাকুরী দেওয়ার নামে ৮ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ায় দুই ভাইয়ের মধ্যে কর্তমানে সাপে-নেউলে সম্পর্ক।
অভিযোগে জানা যায়, নিজ এলাকা চাঁদপুরা ইউনিয়ন সংশ্লিষ্ট এলজিডির অর্থায়নে একটি উন্নয়ন প্রজেক্টের কাজ নিয়ে প্রতারণার কাহনী নিয়ে বহুদূর গড়ালেও বঞ্চনার শিকার তার ব্যাবসায়িক অংশীদার নূরুল ইসলামের বিনিয়োগের সাড়ে আট লাখ টাকা ফিরে পায়নি। নূর ইসলাম বরিশাল বাণীকে জানান, ২০১০-১১ অর্থবছরে তৎকালীন মেয়র শওকত হোসেন হিরনের সুপারিশে ৩০ লাখ টাকার প্রজেক্টে একটি কার্পেটিং সড়ক নির্মাণসহ দুটি কালভার্ট ও সড়ক পাইলিং করতে জাহিদ একই এলাকার সাবেক মেম্বার ও আ.লীগ নেতা এই নূর ইসলামের কাছ থেকে ১৯ লাখ টাকা নিয়ে ঐ প্রজেক্টের ঠিকাদারি ব্যাবসায় অংশীদার হিসেবে নিজের সাথে সংযুক্ত করে। জাহিদের বিনিয়োগ ছিলো ১১ লাখ টাকা।
ধুরন্দর জাহিদ কার্পেটিং এর রাস্তা নির্মান শেষে অন্য দুটি কালভার্ট নির্মানে আর এগুয়নি। তিনি ঐ সড়ক নির্মাণ কাজের বিল উত্তোলন করে নেয় নূুর ইসলামের অজান্তে। উপায়হীন এই ব্যাক্তি দুটি কালভার্ট ও সড়ক পাইলিং এর কাজ শেষ করতে বাধ্য হন নিজের অর্থায়নে। নূর ইসলামকে ৭ লাখ টাকা দিয়ে বাদবাকি মূলধনসহ লভ্যাংশ ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানায়। এনিয়ে স্থানীয়ভাবে কয়েক দফা শালিস-বৈঠক হলেও আজও কোনো সুরাহা মিলেনি।
অপর একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে, জেবুন্নেসা আফরোজ সাংসদ থাকা অবস্থায় নিজের বাড়ির পাশের চড়পত্তনীয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নৈশ প্রহরী কাম দপ্তরী পদে চাকুরী দেওয়ার প্রলোভনে আপন ”াচাতো ভাই তৌহিদ হওলাদারের কাছ থেকে ৬ লাখ টাকা নিয়ে সেই চাকুরী দিতে ব্যার্থ হয়। মূলত এটা ছিলো প্রতারনা। এনিয়ে তাদের পারিবারিক বিরোধ প্রকাশ্যে রূপ নিয়ে এখনও চলমান রয়েছে বলে সেই তৌহিদের সূত্র ধরে খবর পাওয়া গেছে। একই সময়কালে কাশীপুরের জনৈক এক নারীকে স্কুলের শিক্ষিকা হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার নামে ৮ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। কিন্তু ঐ ঘটনার সাথে জেবুন্নেছা আফরোজের পিএস অভির সংশ্লিষ্টতা থাকার কথা শোনা গেছে। সেই নারী টাকাও ফিরে পায়নি, চাকুরীও মেলেনি। সদর আসনের সাংসদের অনুসারী হিসেবে প্রভাবের মুখে সেই্ নারী অবশেষে চুপসে যেতে বাধ্য হয়।
নাটকীয় ঘটনা ঘটে বরিশাল দূর্গাপুর ইঞ্জিঃ কলেজ সম্মুখ এলাকার এক হিন্দু ব্যাক্তির ৩৬ শতাংশ জমি সুসম্পর্কের বুনিয়াদে বিক্রির উদ্দেশ্যে জাহিদ হোসেন পাওয়ার অব এটর্নি নিয়ে কৌশলে সমুদয় সম্পত্তি নিজের নামে দখলস্বত্ত প্রতিষ্ঠা করে মালিকানা দাবী করে। সেখানে গড়ে তোলে ৪টি স্টল। সংখ্যালঘ্যু সম্পদায়ের ঐ ব্যাক্তি ঘটনাচক্রে বিষয়টি আঁচ করতে পেরে বরিশাল আদালতে একটি মামলা ঠুকে দেয়। যা এখনও চলমান বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
রাজনৈতিক সূত্রগুলো জানায়, জেবুন্নেছা আফরোজ বরিশালে ঘরোয়া রাজনীতিতে কোণঠাসা হয়ে পড়লে জাহিদ হোসেন জার্সী বদল করে আ.লীগের নতুন শক্তি সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর শিবিরে যুক্ত হন। কাকতালীয়ভাবে কোনো এক ঘটনার সূত্র ধরে জাহিদের এসব প্রতারনার কাহিনী সাদিক আব্দুল্লাহ অবগত হয়ে ক্ষুদ্ধতায় সাবেক এই ছাত্রনেতাকে কালীবাড়ি সড়কের তার বাড়িতে আসা বন্ধ করে দিলে এই নেতার সাথেও সম্পর্কের বিচ্ছেদ ঘটে।
পরবর্তীতে যুক্ত হন বর্তমান পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক শামীমের রাজনীতিতে। গত ইউপি নির্বাচনের মাধ্যমেই জাহিদ হোসেন রাজনৈতিকভাবে প্রথম ফাঁপরে পড়েন। সূত্র জানায়, চাঁদপুরা ইউনিয়ন আ.লীগের সভাপতি হেলাল উদ্দিনকে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে দলীয় মনোনয়ন দিলে জাহিদ হোসেন বিদ্রোহী প্রার্থী হন্। সেই সাথে তার পিতা স্থানীয় আ.লীগের সহ-সভাপতি বারেক হাওলাদারও প্রার্থী হয়ে বিস্ময়ের জম্ন দিয়েছিলেন।
দলীয় সূত্র জানায়, পিতা-পুত্রের এই প্রার্থীতায় জেলা আ.লীগের কান্ডারী আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ বেজায় ক্ষুদ্ধ হন। সূত্রমতে, হেলাল উদ্দিনকে পরাজিত করতেই পিতা-পুত্র একই দলের নেতা হওয়া সত্তে¦ও বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ার পেছেনে কারন ছিলো। ফলশ্রুতিতে জামায়াত ইসলাম সমর্থিত আমানুল্লাহ আমান বিজয়ী হতে সহায়ক হয়। জনশ্রুতি রয়েছে, জাহিদ এই বিজয়ী প্রার্থীর কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ নিয়ে হেলালের পরাজয় ত্বরান্মিত করতেই বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছিলো।
নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে প্রার্থী হওয়ায় পিতা-পুত্র উভয়কে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। সেই থেকে জাহিদ আর দলে ফিরে আসতে না পারলেও এখন তিনি প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক শামীমের অনুগত্য এবং কীর্তনখোলা নদীর পূর্ব জনপদের ৫ ইউনিয়নের মন্ত্রীর প্রতিনিধিত্ব করছেন বলে শোনা যায়, প্রকাশ্যে দেখাও যায়।
সেখানে প্রভাব বিস্তার নিয়ে সদ্য বহিস্কৃত সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক আশিকুর রহমান সুজনের সাথে জাহিদের চরম বিরোধ চলছিলো বলে স্থানীয় সূত্রগুলোর অভিমত পাওয়া যায়। কিন্তু মেয়র অনুসারী তরুণ ছাত্রনেতা সুজনের দূরদর্শী ও সাহসিকতার কাছে জাহিদ হোসেনের শক্তি-প্রভাব উভয়ই ম্রিয়মান।
হঠাৎ করে পদহীন এই ছাত্রনেতা জাহিদ অর্থবিত্ত জাহির করার পাশাপাশি প্রভাবশালী নেতা হিসেবে নিজেকে উপস্থাপন এবং নিরাপত্তার শঙ্কা জানিয়ে শটগান নিয়ে চলাফেরা শুরু করেন। নিজ গ্রামে শালিশ বৈঠকে একটি পক্ষ অবলম্বন করে অপর পক্ষকে চেপে ধরতে কৌশল হিসেবে ঐ বৈধ অস্ত্রটি টেবিলের সম্মুখে রেখে হরহামাশা নির্দেশনা দেয়ার কথা শোনা গেছে। এমনকি তার এলাকা সংশ্লিষ্ট বন্দর থানায় বিভিন্্ন তদবীরে যাওয়ার সময় ঐ অস্ত্রটি তার সঙ্গে রাখতে দেখা যায়। সম্প্রতি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সাথে আলাপকালে তার টেবিলের সম্মুখে সেই শটগানটি রাখায় এক বিব্রতকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে সেখানে একজন সংবাদ কর্মী উপস্থিত হয়ে ঐ ছবি ক্যামেরাবন্দী করলে থানা কর্মকর্তা জাহিদকে রুম থেকে তাৎক্ষণিক বেরিয়ে যেতে বলেন।
অবশ্য থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন এই প্রতিবেদককে আজ দুপুরে জাহিদ প্রসঙ্গে আলোচনা তুলতেই সরল স্বীকারোক্তি দিয়ে বলেন, আসলে তাকে ডাকা হয়েছিলো নিয়মানুসারে তিনমাসের মাথায় বৈধ অস্ত্রে ও বরাদ্দ গোলাবারুদের হিসাব চাইতে বা যাচাই বাছাই করে দেখেতে, যেনো সব ঠিক আছে কিনা। জাহিদের মতো ব্যাক্তির নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা কোথায়? বা এধরনের ব্যাক্তির বৈধ লাইসেন্স পাওয়ার যোগ্যতা রাখে কিনা? এমন প্রশ্নে থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বললেন, রাজনীতি বলে কথা, আর কর্তার ইচ্ছা থাকলে সবই সম্ভব(!)
এতে ইঙ্গিত করে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর অনুসারী হিসেবে জেলা প্রশাসক গ্রাম্য একজন পদহীন গুরুত্বহীন নেতার জন্য অস্ত্রের বৈধতা অনুমোদন দিতে বাধ্য হয়েছেন। অস্ত্র দিয়ে প্রতিপক্ষকে ভয়ের সংকেত দিতেই তিনি এই কৌশল নিয়েছেন বলে স্থানীয়দের ধারনা। আর মিডিয়ার মুখ বন্ধে ডোনার হয়ে বরিশাল থেকে প্রকাশিত একটি অনলাইন পোর্টালের ব্যাবস্থাপনা সম্পাদকের পদ ব্যবহার করে বিভিন্ন জায়গায় পত্রিকার মালিক-সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে প্রকৃত সাংবাদিকদের উল্টো বয়ান দেওয়ার কথা শোনা যায়। তবুও সম্প্রতি একজন পাগলীকে ধর্ষণ ঘটনায় তার অনুসারীরা সম্পৃক্ত থাকায় সেই ঘটনা চেপে যেতে গোপন এক বৈঠকে প্রত্যক্ষদর্শীদের শটগানের সামনে রেখে চুপসে যেতে বাধ্য করার কাহিনী পত্রিকায় শিরোনাম হলে তোলপাড় সৃষ্টি করে। শেষান্তে এবিষয়ে মামলা হয়েছে বটে, কিন্তু জাহিদকে আসামীর তালিকায় রাখা হয়নি কী কারনে তা অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে প্রতিমন্ত্রীর হস্তক্ষেপের বিষয়টি। একথা জাহিদ একজন মিডিয়াকর্মীর কাছে ঘটনাচক্রে স্বীকার করেছিলেন বন্ধুত্বের সম্পকের্র বিশ্বাস রেখে। এপ্রসঙ্গে জাহিদ হোসেনের মতামত জানতে এই প্রতিবেদক বিকেল থেকে সন্ধ্যা পরবর্তৃী কয়েক দফা তার সেলফোনে ০১৭২৩০২২৯৯৭ নম্বরে ফোন দিলে বন্ধ পাওয়া যায়। জাহিদ হোসেন এতসব অভিযোগের কী ব্যাখ্যা দিতেন তা জানা সম্ভব হলোনা।

Print Friendly, PDF & Email

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *