Logo
Notice :
Welcome To Our Website...
করোনা: বয়স্কদের সুরক্ষায় ডা. নাসিমা সুলতানার পরামর্শ

করোনা: বয়স্কদের সুরক্ষায় ডা. নাসিমা সুলতানার পরামর্শ

নিউজ ডেক্স // করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়া থেকে বয়স্কদের সুরক্ষায় সবারই সতর্ক হওয়া দরকার বলে মনে করেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক(প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা। 

বৃহস্পতিবার দুপুরে কোভিড-১৯ রোগের সর্বশেষ তথ্য জানাতে অনলাইনে ব্রিফিং তিনি বলেন, আমরা সবাই মাস্ক পরবো। মাস্ক তারাই ব্যবহার করবেন না, যারা নিজেরা এটি পরতে ও খুলতে পারেন না। যেমন, অজ্ঞান ব্যক্তি, প্রতিবন্ধী, দুই বছরের কম বয়সী শিশু।

এছাড়া বাকি সবাইকে মাস্ক পরতে হবে বলে মন্তব্য করেন এই অধ্যাপক। তার মতে, করোনা মোকাবেলায় মাস্ক একটি বড় হাতিয়ার।

এছাড়া সবাইকে যতদূর সম্ভব শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে চলতে আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কমপক্ষে তিন ফুট দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। এ সময়ে বয়স্কদের প্রতি বেশ নজর দিতে হবে। দেখা যাচ্ছে, অনেকেই বাসায় থাকলেও অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। বাসার অন্যরা বাইরে যাচ্ছেন, ফিরে এসে তারা বয়স্কদের কাছে যাচ্ছেন।

এভাবেই নিজেদের অজান্তে বয়স্ক লোকজন প্রাণঘাতি ভাইরাসটিতে সংক্রমিত হচ্ছেন বলে তিনি জানান। কাজেই বাইরে থেকে এসে তাদের কাছে যেতে মাস্ক পরতে হবে। এছাড়া হাত বারবার সাবান দিয়ে ধোয়ার অভ্যাস করতে হবে।

সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে ও মাস্ক পরেই বাড়িতে বয়স্কদের কাছে যেতে হবে বলে পরামর্শ দিয়েছেন এই চিকিৎসক।

দেশের অর্ধশত পরীক্ষাগারে পরীক্ষা রিপোর্ট জানাতে গিয়ে তিনি বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় ১৩ হাজার ৭৮৮টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। আর পরীক্ষা হয়েছে ১২ হাজার ৬৯৪টি। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা হয়েছে তিন লাখ ৫৮ হাজার ২৭৭টি।

যা নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে, তাতে গত একদিনে দুই হাজার ৪২৩ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। সবমিলিয়ে শনাক্ত ৫৭ হাজার ৫৬৩ জন। শনাক্তের হার ১৯ দশমিক ০৯ শতাংশ।

এই অধ্যাপক বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৩৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে ৭৮১ জন মারা গেলেন।

তিনি বলেন, একদিনে সুস্থ হয়েছেন ৫৭১ জন। সর্বমোট সুস্থ হয়েছেন ১২ হাজার ১৬১ জন। অর্থৎ আক্রান্তদের মধ্যে ২১ দশমিক ১৩ শতাংশ সুস্থ হয়ে উঠছেন।

নাসিমা সুলতানা বলেন, আমাদের খুব সচেতন হওয়া দরকার। সবারই মাস্ক পরা দরকার। তিনি বলেন, শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার এক দশমিক ৩৬ শতাংশ।

মৃত্যুর বিশ্লেষণ করে এই চিকিৎসক বলেন, পুরুষ ২৯ জন ও নারী ছয় জন। তাদের মধ্যে ২১ থেকে ৩০ বছর বয়সী তিন জন, ৩১ থেকে ৪০ বছর বয়সী একজন, ৪১ থেকে ৫০ বছর বয়সী তিনজন, ৫১ থেকে ৬০ বছর বয়সী ১৪ জন, ৬১ থেকে ৭০ বছর বয়সী ১১ জন, ৭১ থেকে ৮০ বছর বয়সী দুজন, ৮১ থেকে ৯০ বছর বয়সী একজন।

বিভাগভিত্তিক হিসাবে, ঢাকায় ২১ জন, চট্টগ্রামে ৯ জন, সিলেটে দুজন, রাজশাহীতে একজন, বরিশালে একজন ও খুলনা বিভাগে একজন মৃত্যুবরণ করেছেন।

মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে হাসপাতালে ২২ জন, বাড়িতে ১২ জন ও মৃত অবস্থায় হাসপাতালে এসেছেন একজন।

Print Friendly, PDF & Email

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *