Logo
Notice :
Welcome To Our Website...
মানামী লঞ্চমালিক অভিনব কায়দায় ছোট ভাইয়ের স্ত্রীর’কে পটিয়ে তালাকে বাধ্য অতঃপর বিয়ে

মানামী লঞ্চমালিক অভিনব কায়দায় ছোট ভাইয়ের স্ত্রীর’কে পটিয়ে তালাকে বাধ্য অতঃপর বিয়ে

স্টাফ রিপোর্টার // বরিশালের বিলাসবহুল নৌ-পরিবহণ এমভি মানামী লঞ্চের কর্নধারের বিরুদ্ধে এক বিবাহিত নারীকে অভিনব কায়দায় ভাগিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
জানা গেছে, নিজের আপণ চাচাত ছোট ভাইয়ের স্ত্রীকে অর্থ-সম্পওির লোভ দেখিয়ে সুকৌশলে বিবাহ করেন দেশের শীর্ষ এই নৌ পরিবহণটির মালিক। যদিও প্রভাবশালী হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে এগোতে পারেনি ভুক্তভোগী ছোট ভাই সাইদুল ইসলাম টিপু।

অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, ২০০৫ সালে সাইদুল ইসলাম টিপু নামের ব্যাক্তির সাথে সুরভী আলম সাথীর (৩৩), পিতা: মো: খোসরু আলম সিগদার, মাতা: মোসা: সাহিদা আক্তার সাং বাহেরচর, বাউফল, পটুয়াখালী এর বিবাহ হয়। তাদের এই দম্পতির ঘরে দুটি সন্তানও রয়েছে। তবে এই দম্পতির মাঝে একটি খোরাক লাগিয়ে দীর্ঘদিন যাবত সুন্দরী সাথীকে নিজের করতে ছক একে বসেন বড় ভাই আব্দুস সালাম (৬০)। অবশ্য সেই ছক মোতাবেক এগোতে থাকেন সু-চতুর ও ধুরন্দর আব্দুস সালাম ওরফে কুবাই সালাম। কৌশলগতভাবে তার আপন চাচতো ভাই টিপু ও তার স্ত্রীকে বরিশালে লজিক স্টার নামক একটি ডেভেলপার ব্যবসায় বিনা অর্থায়ানে অংশীদার করেন। অর্থাৎ টিপু ও তার সুন্দরী স্ত্রীর সাথী অর্থায়ন ছাড়াই লাভংশের ৫০% এবং সালাম ৫০% পাবেন বলে চুক্তি করেন। চুক্তি অনুযায়ী বরিশাল শহরের বাংলাবাজার এলাকায় একটি বহুতল ভবন নির্মান করেন। টিপু ও সুন্দরী সাথী কে আরও বিশ্বস্থ ও আকার্শন বাড়ানোর জন্য মানামী লঞ্চের সালাম বরিশাল শহরের বাংলাবাজার এলাকায় বসবাসের জন্য একটি ফ্লাট বাসা কিনে দেন। সুরভী আলম সাথী ও সালামের মধ্যে ভেতরে-ভেতরে গভীর প্রেমলিলা এবং সালামের চালাকি কোন মতেই ছোট ভাই বুঝে উঠতে পারছিল না।
এক্ষেত্রে তার কৌশলগত ছকটি আরও শক্ত অবস্থানে পৌঁছায়। এই কোটি টাকার সম্পদ ও ব্যবসায় অংশিদার করার প্রক্কালে নিজের আপন চাচতো ভাইর স্ত্রীর সাথে সম্পর্ক পুরো হার্ডলাইনে করে ফেলে।
তবে অপরএকটি সুত্র নিশ্চিত করে বলেছে, ধুরন্দর নারী লোভী এই সালাম বাচ্চু’র সকল কাজে সহযোগিতা করে আসছে সাথীর ছোট ভগ্নিপতি মইনুদ্দিন জিতু নামের এক যুবক। যদিও এই যুবকের নামে মাদকসহ একাধিক মামলা রয়েছে। তবে বিলাসবহুল এই লঞ্চের কর্নধার কুবাই সালামের অর্থের প্রভাবে এই কুকর্মকান্ডে সহযোগিতা করছে জিতু। তবে এতদিনে প্রেমের সাগরে হাবুডুবু খেতে মরিয়া হয়ে উঠেছিল টিপুর স্ত্রী সুরভী আলম সাথী
সুএ জানায়, কোটি টাকা আর সম্পদের লোভ সামলাতে পারেনি সুন্দরি নারী সাথীর মনকে। সেই অর্থের লোভে মরিয়া হয়ে উঠে তার প্রাক্তন স্বামী সহিদুল ইসলাম টিপুকে তালাকে বাধ্য করার জন্য সালামের যোগসাজশে টিপুর নামে মিথ্যা ঘটনা সাজাইয়া নারী নির্যাতন মামলা দেয়। এতে বিস্মিত হয়ে পড়ে যুবকবয়সী টিপু। তবে মামলার বিষয়টি নিয়ে টিপু মানামী লঞ্চ মালিক সালামের (বড় ভাইর) কাছে সুরাহা চাইলে, বড় ভাই সালাম (মানামী লঞ্চের মালিক) বলে যে, আগে তোমার স্ত্রী সাথীকে তালাক দেও, বাকি ব্যবস্থা আমি করব। একপর্যায় সহিদুল ইসলাম টিপু বড় ভাইয়ের নির্দেশ ও প্রচ্ছন্ন হুমকিতে ভয়ে তার স্ত্রীরি সাথীকে তালাক দেয়। এর কিছুদিন পর সু-চতুর সালাম ও সুন্দারী সাথী নতুন ভাবে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। এরই কিছুদিন পর সাইদুল ইসলাম টিপুর নামে দেওয়া ফ্লাট ও অংশীদার ব্যবসাটি কেড়ে নেয় মানমী লঞ্চের মালিক সালাম। সকল কিছু নিমিষে হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়ে টিপু। শুধু টিপুর স্ত্রী কে নিয়েই ক্ষান্ত হয়নি লঞ্চ মালিক সালাম, সে টিপুকে তার পোষা সন্ত্রাসীদের দিয়ে এই মর্মে হুমকি দিয়ে বেড়াচ্ছে যে, যদি বাড়াবাড়ি করে বিভিন্ন হুমকি-ধামকি দিয়ে আসছে। এতে নিজের জীবন নিয়ে শংকায় ভুগছেন টিপু।
জনশ্রুতি আছে, পটুয়াখালীর সন্তান আব্দুস সালাম ওরফে কুবাই সালাম নামে এলাকাজুড়ে বেশ পরিচিত। অপরাধ জগতের সবকটি স্থানেই রয়েছে তার ছোয়া। প্রতারনা,জালিয়াতি,মাদক থেকে শুরু করে সর্বমহলের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। বরিশাল মানুষের এখন মুখে মুখে তার মালিকানাধীন এমভি মানামী লঞ্চটির আয়ের উৎস নিয়েও চলছে প্রশ্ন এমনকি লঞ্চটির বিনিয়োগের টাকা নিয়ে ব্ল্যাকমেইল ও ছলচাতুরী হইলো এই কুবাই সালামের গুরুত্ব অপকর্ম।

শুনা যায়, জাপানের একটি বিনিয়োগ সংস্থাকে ভুলভাল বুজিয়ে বিপুল পরিমান অর্থ শিপিং করার নামে প্রস্তাব দেয়।যদিও সরকারী বিধানে বিদেশী কোন সংস্থা পুরো বিনিয়োগ করার সক্ষমতা রাখেনা,সেখানে ধুরন্দর কুবাই সালাম নিজের নামে সবকিছু লিখিয়ে অল্পতেই বনে গেছেন কোটি টাকার মালিক এবং তৈরি করেছেন সুউচ্চ নৌ পরিবহণ।পর্যায়ক্রমে কুবাই সালামের ব্লাকমেইল প্রতারনা থেকে রক্ষা পায়নি জাপানি এই সংস্থাটি।
একটি বিশ্বস্ত সুএ জানায়, বাউফলের কৃষি ব্যাংকের ম্যানেজার খসরু আলমের কন্যা ও কুবাই সালামের আপন চাচতো ভাই টিপুর স্ত্রী সুরভী আলম সাথী ও তার আপন ছোট ভগ্নিপতি মঈনউদ্দিন জিতু পিতা মহিউদ্দিন খোকন সাং জর্ডন রোড থানা কোতয়ালি জেলা বরিশালদের রয়েছে পাপিয়া খ্যাত নারীর মত বৃহৎ সিন্ডিকেট। বিভিন্ন সুন্দরী তরনীদের দিয়ে মনোরঞ্জন সহ ইয়াবা সিন্ডিকেটের রয়েছে বড় গুপ্তধন।এগুলার সবই প্রভাবশালী কুবাই সালামের নিয়ন্ত্রনে পরিচালন হয়।
এমনকি লঞ্চটির বিরুদ্ধে রয়েছে একাধিক অভিযোগ। করোনাকালীন সময়ে লঞ্চের ভিতর স্বাস্থ্যবিধির তেমন বালাই ছিলনা বরং অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে ঢাকা-বরিশাল আসা যাওয়া করতো।পাশাপাশি অদৃশ্য ক্ষমতা বলের আওতায় ম্যানেজ প্রক্রিয়ায় চলতো নৌযানটি।
তবে এত অপকর্মের বিষয়টি নিয়ে এই প্রতিবেদক মানানী লঞ্চকতৃপক্ষ’র সাথে সেলফোনে যোগাযোগ করলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন পাওয়া যায়।
এ ব্যাপারে,ভুক্তভোগী সাইদুল ইসলাম টিপুর সাথে আলাপকালে জানায়,আব্দুস সালাম আমার আপন চাচাতো পিতৃ বয়সি বড় ভাই।বছরখানেক আগে আমার ও আমার সাবেক স্ত্রী সাথীর নামে একটি ব্যবসায়ী পার্টনারে ও বরিশাল শহরের বাংলাবাজারে ফ্লাট বাসা কিনে দিয়ে আমার কাছে সৎ, মহান ভাই ও ফেরেস্তার মত মানুষ হিসেবে আর্বিভূত হয় । এভাবে ছলচাতুরী করে আমার স্ত্রীকে প্রলুব্ধস করে, ফুসলিয়ে মোবাইর ফোনের মাধ্যমে গোপনে প্রেমের ফাদে ফেলে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ এনে স্ত্রী সাথীর দারা মামলা দিয়ে আমাকে ভয় দেখিয়ে আমার দাড়া তালাক নামা হাসিল করে তারা বিয়ে করেন।আমি বিষয়টি নিয়ে আইনের আশ্রয় নিয়েছি এবং বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানায় একটি অভিযোগ দিয়েছি।

No description available.
Print Friendly, PDF & Email

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *