Logo
Notice :
Welcome To Our Website...
কলাপাড়ায় ঠিকাদারকে বেকায়দায় ফেলতে ষড়যন্ত্র: পুলিশ সুপারের কাছে অভিযোগ

কলাপাড়ায় ঠিকাদারকে বেকায়দায় ফেলতে ষড়যন্ত্র: পুলিশ সুপারের কাছে অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স মিফর্তা ট্রেডার্সের সত্ত্বাধিকারী শাহিন মৃধাকে বেকায়দায় ফেলতে মরিয়া হয়ে উঠেছে একটি বিশেষ মহল।ওই ঠিকাদারকে বেকায়দায় এবং চাপে ফেল ঠিকাদারি কাজ বাগিয়ে নিতে মিথ্যা তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রকাশ এমনকি গভির রাতে পুলিশ দিয়ে হয়রনীর অভিযোগও পাওয়া গেছেএমন ষড়যন্ত্রের অভিযোগ স্থানীয় এক প্রভাবশালী আওয়ামীলীগ নেতার পিএস পরিচয়দানকারী ঠিকাদার মেসার্স লাকি এন্টারপ্রাইজের সত্ত্বাধিকারী মো. শামীমুজ্জামান কাসেম এর বিরুদ্ধে।এদিকে ঠিকাদারকে চাপে ফেলতে সংবাদ প্রকাশ এবং গভির রাতে বাড়িতে পুলিশ পাঠিয়ে হয়রনী এবং বাড়ীতে ভিংচুরের অভিযোগে পটুয়াখালীর পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ঠিকাদার শাহীন মৃধা।মেসার্স মিফর্তা ট্রেডার্সের সত্ত্বাধিকারী শাহিন মৃধা বলেন, দীর্ঘদিন যাবৎ আমি সুনামের সাথে কলাপাড়ায় ঠিকাদারী ব্যবসা করে আসছি। চাইনিজদের থেকে কাজ নেয়ার জন্য আরও কয়েকজন ঠিকাদার আমার প্রতিদ্বন্দ্বি ছিলেন। কিন্তু যথাযথ পন্থায় সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে আমি ওইসব কাজ করার অনুমতি পেয়েছি।এজন্য প্রতিদ্বন্দ্বী ঠিকাদার কাজ না পেয়ে আমাকে বিভিন্নভাবে হয়রাণি শুরু করেছে। এমনকি থানা পুলিশকে ম্যানেজ করে গভীর রাতে আমার বাড়িতে হানা দিয়ে ছোট ভাইসহ পরিবারের লোকেদের ভয় দেখায়। শুধু তাই নয়, পুলিশের সাথে থাকা প্রতিপক্ষের লোকেরা বসতঘড়ের দরজা জানালা ভাঙচুর করে বলেও অভিযোগ শাহীন মৃধার। আর তাই আতঙ্কে রয়েছে আমার পরিবারের লোকেরা।তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘স্থানীয় ‘সমাজের দর্পন’ নামের এক সংবাদমাধ্যমের কথিত সাংবাদিক পরিচয়দানকারী ব্যাক্তি প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরসহ সামাজিকভাবে আমাকে বিভিন্নভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে নানা রকম গুজব ছড়াচ্ছে বলেও দাবি ঠিকাদার শাহিন মৃধা’র।তিনি বলেন, ‘গভীর রাতে আমার বাড়িতে পুলিশ নিয়ে গিয়ে হয়রাণি ও ভাঙচুরের বিষয়ে পটুয়াখালী পুলিশ সুপারের কাছে একটি অভিযোগ দিয়েছি।’ তিনি নিজে এবং তার পরিবারের সদস্যদের হয়রাণি বন্ধে প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

Print Friendly, PDF & Email

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *