Logo
Notice :
Welcome To Our Website...
ব্ল্যাংক চেক নেওয়া অবৈধ হলেও তাহা বৈধ করে নিয়েছে সুদি ব্যবসায়ীরা

ব্ল্যাংক চেক নেওয়া অবৈধ হলেও তাহা বৈধ করে নিয়েছে সুদি ব্যবসায়ীরা

বিশেষ প্রতিনিধি // বাংলাদেশের কিছু এনজিও, মাল্টিপারপাস,সমবায় সমিতি ও সুদি ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ আছে যে, তাদের ম্যানেজাররা ঘুষ নিয়ে গ্রাহকদের ঋণ দিচ্ছে, পরবর্তীতে গ্রাহকদের কোন সমস্যা হলে, গ্রাহক আর্থিক সমস্যায় পড়লে, গ্রাহকের অসুখ- বিসুখ হলে, তারা তাদেরকে কোন সুযোগ সুবিধা দেয় না। আরো কিছু নারী গ্রাহক অভিযোগ করলো যে, তারা কিস্তি না দিতে পারলে তাদেরকে অফিসে ডেকে নিয়ে রাত পর্যন্ত বসিয়ে রেখে, বলে যে টাকা দিয়ে এখান থেকে যেতে হবে। তাদেরকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে, যাহা চরম মানবাধিকার লঙ্গন। অনেক প্রতিষ্ঠান গ্রাহকদের ঋণের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই, তাদের প্রতিষ্ঠানের কোনো নোটিশ না পাঠিয়ে, গ্রাহকদের ব্লাংক চেকে নিজেদের মতো করে, মোটা অংকের টাকা লিখে, ব্যাংক থেকে চেক ডিজঅনার করিয়ে, কোন লিগ্যাল নোটিশ না পাঠিয়ে, আদালতে এন আই এক্ট এর 138 ধারায় চেকের মামলা দিয়ে দেন। ভুক্তভোগী এক নারী প্রতিবেদককে পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন।বলেন এনজিও আমার ঘরে কেন্দ্র বসিয়ে, আমাকে সভানেত্রী বানায়, আমার চেক সম্বন্ধে কোনো ধারণা নেই, তারা আমাকে ও আমার স্বামীকে দিয়ে ব্যাংকে একাউন্ট করিয়ে, ব্ল্যাংক চেক নিয়ে আমাকে ঋণ দেয়। পরবর্তীতে আমার স্বামী এক্সিডেন্ট করেছিল। তারপর তারা নিষ্ঠুর ভাবে তাহাদের অফিসের কোনো নোটিশ না পাঠিয়ে এবং লিগ্যাল নোটিশ না পাঠিয়ে আদালতে এন আই এক্ট এর 138 ধারায় চেকের মামলা দিয়ে দেন। এখন আমার অনেক ভয় লাগছে যে, তাদের কাছে আমার ও আমার স্বামীর আরো চেক আছে। তারা কোন সময় কি করে ফেলে সে টেনশনে আমার মোটে ও ঘুম হয় না। এই ব্যাপারে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরী অথরিটি এর উপ-পরিচালক মোঃ আব্দুল হকের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে, তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বাংলাদেশ ক্রাইম নিউজ কে বলেন যে, কিছু প্রতিষ্ঠান গ্রাহকদের সঙ্গে অমানবিক কাজ করে যাচ্ছে। যেটাকে আমরা মোটেও সমর্থন করি না। কেউ যদি আমাদের কাছে লিখিতভাবে অভিযোগ করে, তাহলে আমরা অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব। চলমানঃ

Print Friendly, PDF & Email

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *