Logo
Notice :
Welcome To Our Website...
কসবায় ধর্ষিতের পরিবারকে সমাজচ্যুত

কসবায় ধর্ষিতের পরিবারকে সমাজচ্যুত

বাংলাদেশ ক্রাইম // কোরআন শিখতে আসা এক কিশোরীকে ফুঁসলিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার একটি গ্রামের ইমাম ওবায়দুল হক (৫০)। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে তাকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করে এলাকার সর্দার হেবজু মিয়া। এ ছাড়া ভুক্তভোগীর পরিবারকে সমাজচ্যুতও করেন তিনি। তার বিরুদ্ধে কসবা আদালতে মামলা দায়ের করেছে পরিবারটি।

গত শনিবার রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের নির্দেশে ভুক্তভোগীর বাবা মামলাটি দায়ের করেন। মামলার এজাহারে তিনি উল্লেখ করেছেন, উপজেলার বিশারবাড়ী মসজিদের ইমাম ওবায়দুল হকের কাছে মেয়েকে কোরআন শিখতে দিয়েছিলেন তিনি। বিভিন্ন কৌশল-কুফুরি করে তাকে ধর্ষণ করেন ইমাম। পরে তাকে ও তার স্ত্রীকে মেরে ফেলার ভয় দেখিয়ে মেয়েকে একাধিবার ধর্ষণ করেন ওবায়দুল হক। সম্প্রতি মেয়ে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। তারা ঘটনা জেনে ফেলায় ইমাম ওবায়দুল হক তাদের মেয়েকে ওষুধ খাইয়ে গর্ভপাত করান। এলাকায় ঘটনা জানাজানি হলে গ্রাম্য সর্দার হেবজু মিয়াসহ আরও কয়েকজনের সহযোগিতায় পালিয়ে যান ইমাম ওবায়দুল হক। পরে হেবজু মিয়া সালিস ডেকে ভুক্তভোগীর পরিবারকে সমাজচ্যুত করেন। তাদের একঘরে করে সব ধরনের সুবিধা বঞ্চিত করেন।

ভুক্তভোগীর বাবা মামলা দায়ের করার পর পুলিশ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ না করে কালক্ষেপণ করে। পরে তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আদালতে মামলা করেন। আদালত পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশনা দেন। পিবিআই পুলিশ সুপার মো.সাখাওয়াত হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ লোকমান হোসেন জানান, কালক্ষেপণ করার বিষয়টি ঠিক নয়। মামলা দায়ের হয়েছে। হেবজু সর্দারকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

Print Friendly, PDF & Email

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *