Logo
Notice :
Welcome To Our Website...
যে কারণে ফিটনেস টেস্ট দেননি সাকিব

যে কারণে ফিটনেস টেস্ট দেননি সাকিব

বাংলাদেশ ক্রাইম // এক বছর পর মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে পা রেখেছেন সাকিব আল হাসান। বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপ উপলক্ষে ফিটনেস দেওয়ার কথা ছিল তার, কিন্তু শেষ পর্যন্ত টেস্ট দেননি সাকিব। আগামী বুধবার সাকিব ফিটনেস টেস্ট করাবেন বলে নিশ্চিত করেছেন জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু।

দিন গুণে হিসাব করলে ঠিক ৩৭৭ দিন। এই এতগুলো দিন  দেশের ক্রিকেটের আঁতুড়েঘর মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামেই নিষিদ্ধ ছিলেন নাম্বার ওয়ান অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। অবাঞ্চিত ছিলেন হোম অব ক্রিকেটে। এখন সব অতীত, সাকিব ফিরেছেন সদর্পেই। এক বছর পর শেরে বাংলায় ফিরেছেন সাকিব বিশ্বের সেরা অলরাউন্ডারের তকমা লাগিয়েই। কিন্তু ফিটনেস দেওয়ার কথা থাকলেও কেন দেননি সাকিব?

সাকিবসহ মোট ১১৩ জনের ফিটনেস টেস্ট দেওয়ার কথা জানিয়েছিল বিসিবি। আজ ৮০ জনের নির্ধারিত ছিল। এতজন ক্রিকেটারের সঙ্গে গণজমায়েত এড়ানোর জন্য ফিটনেস টেস্টে অংশ নেননি সাকিব। তিনি দুদিন আগে করোনা পরীক্ষা করিয়েছিলেন, টেস্টে ফল আসে নেগেটিভ। তাই তিনি ঝুঁকি নিতে চাননি। এ ছাড়া এতদিন পর ফিরে আসায় তার শারীরিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সহায়তা করছেন বিসিবির ফিজিক্যাল ট্রেইনার তুষার কান্তি হাওলাদার। এ কয়দিন তুষার কান্তির তত্ত্বাবধানে থাকার পর বুধবার অংশ নেবেন ফিটনেস টেস্টে।

আজ সোমবার সকাল সাড়ে ৮টার পরেই মিরপুরে প্রবেশ করে সাকিবের গাড়ি। আগে থেকেই নির্ধারিত ছিল আজ আসবেন তিনি। তাই আগে থেকেই অপেক্ষায় ছিলেন গণমাধ্যম কর্মীরা। বলতে গেলে আজ থেকেই শুরু হচ্ছে সাকিবের প্রত্যাবর্তনের গল্প। মাঠে প্রবেশ করেই চলে যান জিম করতে। জিম করার পরার কিছুক্ষণ থাকেন স্টেডিয়ামে। কথা বলতে দেখা যায় সতীর্থ মুশফিকুর রহিম-মোস্তাফিজুর রহমানদের সঙ্গে।

আগামী ২০/২২ নভেম্বর থেকে শুরু হবে টি-টোয়েন্টি কাপ। এই টুর্নামেন্টে থাকছে পাঁচটি দল। প্রত্যেক দলে থাকবে ১৫ জন ক্রিকেটার। এই টুর্নামেন্টের মধ্য দিয়েই ব্যাট-বল নিয়ে ২২ গজের পিচে ফিরবেন সাকিব। সাকিবের ফেরা নিয়ে আশাবাদী কোচ-নির্বাচক থেকে সকলেই। তারা প্রত্যাশা করেন সাকিব তার চেনা রূপে ফিরবেন খুব দ্রুতই। ফিটনেস নিয়ে চিন্তিত না বিসিবির কর্তারা।

উল্লেখ্য, জুয়াড়ির প্রস্তাব গোপন করায় গত বছর অক্টোবর মাসেই সব ধরনের ক্রিকেটে সাকিবকে দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা দেয় আইসিসি। এর মধ্যে রয়েছে এক বছরের স্থগিত নিষেধাজ্ঞা। আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী নীতিমালার আইন লঙ্ঘনের অপরাধে সাকিবকে এ শাস্তি দেয় বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা। এ শাস্তি মেনেও নেন বাংলাদেশের সবচেয়ে সফল এই ক্রিকেটার। এত দিন পর ক্রিকেটে ফিরলেও ভবিষ্যতে যদি একই ধরনের অপরাধ করেন তা হলে সাকিবের এক বছরের স্থগিত নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে।

Print Friendly, PDF & Email

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *