Logo
Notice :
Welcome To Our Website...
দুই বছর ধরে অপারেশন বন্ধ ঝালকাঠি মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে

দুই বছর ধরে অপারেশন বন্ধ ঝালকাঠি মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে

বাংলাদেশ ক্রাইম // ঝালকাঠির মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে দুই বছর ধরে সিজারিয়ান অপারেশন বন্ধ রয়েছে। ফলে গর্ভবতী মায়েদের সিজারের জন্য বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিকে যেতে হচ্ছে। অ্যানেসথেসিয়া চিকিৎসক না থাকায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

 

জানা যায়,ঝালকাঠি সদর উপজেলায় অবস্থিত ২০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে প্রায় দুই বছর ধরে অ্যানেসথেসিয়া চিকিৎসক নেই। অপারেশন বন্ধ থাকায় দীর্ঘ সময় ধরে বন্ধ রয়েছে এখানকার অপারেশন থিয়েটার।

 

ফলে রোগীদের সেবা নিতে বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিক অথবা বিভাগীয় শহর বরিশালে যেতে হয়। এতে একদিকে যেমন মোটা অংকে অর্থের প্রয়োজন হয়, অন্যদিকে মা ও গর্ভস্থ শিশুর স্বাস্থ্যঝুঁকি রয়ে যায়। তাছাড়া দরিদ্রদের পক্ষে ২৫-৩০ হাজার টাকা জোগাড় করে অন্যত্র সেবা নেয়া দুঃসাধ্য।

 

মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের অ্যানেসথেসিয়া চিকিৎসক ডা. মো. আমির হোসাইন প্রায় দুই বছর আগে উচ্চতর প্রশিক্ষণ নিতে গিয়ে আর ফিরে আসেননি। তার পরিবর্তে নতুন কোনো ডাক্তারও নিয়োগ দেয়া হয়নি। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন চিকিৎসা নিতে আসা স্বল্প আয়ের মানুষরা।

 

মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে চিকিৎসা নিতে আসা শারমীন সুলতানা জানান, গত আট মাস ধরে এখানকার চিকিৎসক মো. জোয়াহের আলীর কাছে চিকিৎসা নিচ্ছেন তিনি। স্বল্প খরচে এই কেন্দ্রে প্রসব করানোর ইচ্ছা থাকলেও অ্যানেসথেসিয়া চিকিৎসক না থাকায় দুঃশ্চিন্তায় রয়েছেন তিনি।

 

এ বিষয়ে ঝালকাঠি মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে কর্মরত চিকিৎসক ডা. মো. জোয়াহের আলী জানান, আধুনিক সুযোগ সুবিধা থাকা সত্ত্বেও শুধুমাত্র অ্যানেসথেসিয়া চিকিৎসকের অভাবে এখানে সিজারিয়ান সেকশন বন্ধ রয়েছে। তবে এখানে রোগী দেখা ও নরমাল ডেলিভারির কাজ নিয়মিতই হচ্ছে।

 

ঝালকাঠি পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপ-পরিচালক মো. কামাল হোসেন জানান, সদর হাসপালের অ্যানেসথেসিয়া ডাক্তার এনে বর্তমান সঙ্কট নিরসনের চেষ্টা চলছে। এ ব্যাপারে জেলা সিভিল সার্জনের সঙ্গে তিনি কথা বলেছেন।

Print Friendly, PDF & Email

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *