Logo
Notice :
Welcome To Our Website...
News Headline :
পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তির ২৪ বছর পূর্তি উপলক্ষে বরিশাল ১০নং ওয়ার্ড আ’লীগের আনন্দ র‌্যালি বরিশালে চাকরি প্রার্থীদের অর্ধকোটি টাকা নিয়ে লাপাত্তা আরএম গ্রুপ কুয়াকাটা সৈকতে রাতের আকাশে ফানুসের মেলা কাউন্সিলর হত্যা মামলার প্রধান আসামি ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত পটুয়াখালীতে ১৪ মণ জাটকা জব্দ, তিন ব্যবসায়ীকে জরিমানা গভীর রাতে সাজেকে ৪ রিসোর্ট পুড়ে ছাই, সাড়ে ৩ কোটি টাকার ক্ষতি বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে রেকর্ড সংখ্যক ভর্তির আবেদন বরিশালে পার্বত্য শান্তি চুক্তির ২যুগ পূর্তি উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পূস্পার্ঘ অপর্ণ যে কোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশ সদাপ্রস্তুত : প্রধানমন্ত্রী এবার বৃদ্ধাকে ধাক্কা দিলো সিটি করপোরেশনের ময়লার গাড়ি
টিউমার ও ক্যানসার প্রতিরোধ করুন

টিউমার ও ক্যানসার প্রতিরোধ করুন

অধ্যাপক ডা. মো. ইয়াকুব আলী // দিন দিন করোনার প্রকোপ আরও বেড়ে যাচ্ছে। কাজেই সাবধানতার কোনো বিকল্প নেই। করোনা থেকে দূরে থাকতে মাস্ক পরিধান করুন। অন্যান্য নিয়ম-কানুন মেনে চলুন। কারণ করোনা মোটেও ছোট কোনো ভাইরাস নয়।  মানবদেহে কখনো কখনো অস্বাভাবিক পি- বা টিউমার দেখা দেয়। এ টিউমার দুধরনের হয়ে থাকে। একটির নাম ম্যালিগনেন্ট এবং আরেকটির নাম নন ম্যালিগনেন্ট টিউমার। ক্ষতিকর ম্যালিগনেন্ট টিউমারই ক্যানসার। এটি শুধু স্থানীয়ভাবে আশপাশেই অনুপ্রবেশ করে না, লসিকা বা রক্তের মাধ্যমে শরীরের দূরবর্তী স্থানে গিয়েও নতুন বসতি স্থাপন করে। দেহের অভ্যন্তরে হলে এ পি- বা চাকা চোখে দেখা যায় না বা সহজে অনুভব করা যায় না। কিন্তু দেহের উপরিভাগে হলে সহজেই নজরে আসে।

ক্যানসার বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। উৎপত্তি অনুসারে এটি চারটি প্রধান ভাগে বিভক্ত। যেমন- কারসিনোমা। শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের আবৃত্ত স্তর (খরহরহম ঊঢ়রঃযবষরঁস) থেকে উদ্ভুত ক্যানসার। এ ধরনের ক্যানসার প্রায় ৮০ শতাংশ বয়স্কদের মধ্যে পরিলক্ষিত হয়। সারকোমার উৎপত্তি হলো হাড়, নরম হাড়, মাংস, ফাইবার, টিস্যু এবং মেদ। লিউকেমিয়া রক্তকণিকা ও রক্ত তৈরির অঙ্গের ক্যানসার। লিম্ফোমা লিম্ফেটিক সিস্টেম (খুসঢ়যধঃরপ ঝুংঃবস) আক্রান্ত করে। এটি লিম্ফ নোড (খুসঢ়য হড়ফব) ও লিম্ফ শিরার (খুসঢ়য ঠবংংবষং) মাধ্যমে গঠিত একটি নেটওয়ার্ক। ক্যানসার সৃষ্টির জন্য দুটি জিনিসের প্রয়োজন। এর একটি হলো- কারসিনোজেন (প্রত্যক্ষভাবে দায়ী ক্যানসার সৃষ্টিকারী বস্তু) এবং আরেকটি হলো- কো-কারসিনোজেন (পরোক্ষভাবে দায়ী ক্যানসার সৃষ্টিকারী বস্তু ও অবস্থা)। একই সঙ্গে আরও জড়িত রয়েছে এগুলোর প্রয়োগের সময় এবং পুনরাবৃত্তি। ফলে কোষের ডিএনএ-এর অপূরণীয় ক্ষতি ও ক্যানসার সৃষ্টির সূত্রপাত হয়। এ প্রক্রিয়ার সঙ্গে আরও যে বিষয়গুলো সম্পৃক্ত তা হলো- ব্যক্তিগত ক্যানসার প্রতিরোধ শক্তি, খাদ্যাভাব বা আধিক্য, তেজস্ক্রিয় রশ্মি বা অধিক সূর্য রশ্মির প্রতিফলন, ব্যক্তিগত সংবেদনশীলতা, ভাইরাসের মাধ্যমে সৃষ্ট কোষের ক্ষতি ইত্যাদি।

ক্যানসার সংক্রামক ব্যাধি নয় : এটি কোনো জীবাণুর মাধ্যমে উৎপন্ন রোগ নয়। ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদান, হরমোন, তেজস্ক্রিয়তা, পেশা, অভ্যাস (ধূমপান, মদ্যপান, ইত্যাদি), ঘর্ষণজনিত আঘাত, প্রজনন (বেশি সন্তান প্রসব), বিকৃত যৌনাচরণ (সমকামিতা, অপরিণত বয়সে যৌনাচরণ), অধিক চর্বিযুক্ত খাদ্য গ্রহণ, বায়ু ও পানি দূষণ, বর্ণগত, জীবনযাপন পদ্ধতি, ভৌগোলিক ও পরিবেশগত প্রভাব, প্যারাসাইট ও ভাইরাস সাধারণত সার্বজনীনভাবে ক্যানসার সৃষ্টির কারণ। তবে ক্যানসারের প্রায় ৯০ শতাংশই এড়িয়ে চলা সম্ভব। এ জন্য প্রয়োজন সুস্থ ও সুন্দরভাবে জীবনযাপন করা।

লেখক : টিউমার ও ক্যানসার রোগ বিশেষজ্ঞ

অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান, মেডিক্যাল অনকোলজি বিভাগ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল

শেরেবাংলানগর, ঢাকা

চেম্বার : ইসলামী ব্যাংক সেন্ট্রাল হাসপাতাল

কাকরাইল, ঢাকা

০১৬৪৪৪৩৩৪৯৮; ০১৭৩২৪২৯৩৯০

Print Friendly, PDF & Email

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *