Logo
Notice :
Welcome To Our Website...
করোনা শনাক্তে দেশের ১০ জেলায় অ্যান্টিজেন পরীক্ষা শুরু

করোনা শনাক্তে দেশের ১০ জেলায় অ্যান্টিজেন পরীক্ষা শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক // দ্রুততম সময়ে করোনাভাইরাস শনাক্তকরণে দেশের ১০ জেলায় অ্যান্টিজেন টেস্ট কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। আজ শনিবার সকালে ভার্চুয়াল এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন তিনি। এ সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, পর্যায়ক্রমে দেশের সব জেলায় অ্যান্টিজেন টেস্ট করা হবে।

প্রাথমিকভাবে গাইবান্ধা, মুন্সীগঞ্জ, পঞ্চগড়, মাদারীপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, যশোর, মেহেরপুর, সিলেট, জয়পুরহাট ও পটুয়াখালী জেলায় অ্যান্টিজেন পরীক্ষা শুরু হয়েছে। এর আগে গত ১৭ সেপ্টেম্বর অ্যান্টিজেন টেস্টের মাধ্যমে করোনাভাইরাস পরীক্ষার অনুমতি দেয় সরকার।

উদ্বোধনের সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‌‘দ্রুত সময়ে করোনাভাইরাসের রোগী শনাক্তের জন্যই এই অ্যাটিজেন টেস্টের ব্যবস্থা করা হলো। এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবাকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে।’

জাহিদ মালেক বলেন, অ্যান্টিজেন পরীক্ষা অবশ্যই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ী করা হবে। অ্যান্টিজেন পরীক্ষায় কোনো ব্যক্তির যদি নেগেটিভ ফলাফল আসে, তাহলে তাকে আবার আরটি-পিসিআর পরীক্ষা করা হবে।

সংক্রমণ এড়াতে সবাইকে মাস্ক পড়ার আহ্বান জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে করোনাভাইরাসের টিকা সঠিক সময় নিয়ে আসার টেষ্টা করছে। এখন আমাদের সামাজিক সুরক্ষা টিকা হিসেবে মাস্ক পরাকে গুরুত্ব দিতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।’

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, ‘২০ থেকে ৩০ মিনিটের মধ্যে এ পরীক্ষার ফল পাওয়া যাবে।’

প্রাথমিকভাবে বিনামূল্যে এই পরীক্ষার ব্যবস্থা সরকার করেছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘যাদের অ্যান্টিজেন পরীক্ষায় ফল নেগেটিভ আসে এবং তার শরীরে করোনার উপসর্গ রয়েছে, এমন সন্দেহজনক রোগীর আরআরটি-পিসিআর টেস্ট করা হবে।’

স্বাস্থ্য সচিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা। এ সময় ১০ জেলার সিভিল সার্জন অনলাইনে যুক্ত ছিলেন।

উল্লেখ্য, রিভার্স ট্রান্সক্রিপশন পলিমারেজ চেইন রিঅ্যাকশন বা আরটি-পিসিআর পদ্ধতি সংক্রমণ শনাক্তে বিশ্বে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি হিসেবে বিবেচিত। বাংলাদেশে ৯ মাস আগে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরুর পর এই পদ্ধতিতেই পরীক্ষা হয়ে আসছে।

তবে এই পদ্ধতিতে নমুনা সংগ্রহের পর ফল পেতে বেশ সময় লেগে যায়, খরচও বেশি। তা ছাড়া সব জায়গায় এ পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় ল্যাবরেটরিও নেই। সেই কারণেই সময় ও ব্যয় সাশ্রয়ী অ্যান্টিজেন পরীক্ষার উদ্যোগ। এই পরীক্ষার জন্যও নাক বা মুখ গহ্বর থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়।

Print Friendly, PDF & Email

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *