Logo
Notice :
Welcome To Our Website...
‘প্রধানমন্ত্রী যদি আমারে একটা ঘর দিতো, মন ভরি দোয়া করতাম’

‘প্রধানমন্ত্রী যদি আমারে একটা ঘর দিতো, মন ভরি দোয়া করতাম’

বাংলাদেশ ক্রাইম // পলিথিনের বেড়া আর ভাঙা টিনের ছাপড়া ঘরে বসবাস বৃদ্ধা আমেনা বেগমের। এই বৃদ্ধ বয়সেও জীবিকার তাগিদে সারাদিন ঘুরে বেড়ান অন্যের দুয়ারে দুয়ারে। ইউএনও, জনপ্রতিনিধি কর্তৃক ঘর বরাদ্দের আশ্বাস পেলেও আজও তার ভাগ্যে জোটেনি স্বপ্নের সেই ঘর।

সরেজমিনে গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নের বোয়ালীদহ গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, আমেনা বেগমের এ করুণ দশা। এসময় ছাপড়া ঘরে পলিথিন দিয়ে বেড়া বানাচ্ছিলেন তিনি।

জানা যায়, ৭০ বছরের বেশি বয়সী আমেনা বেগমনের অশীতিপর স্বামী অনেক আগেই বয়সের ভারে ন্যুয়ে পড়েছেন। বৃদ্ধ বয়সে যে তাদের সম্বল হওয়ার কথা সেই একমাত্র ছেলেটিও প্রতিবন্ধী।

অসুস্থ স্বামী আর প্রতিবন্ধী সন্তান সাথে দারিদ্র্যর কষাঘাতে দিনাতিপাত করছেন অসহায় এই বৃদ্ধা। ঝড়-বৃষ্টি এলে পলিথিনে তৈরি খুপরি ঘর ছেড়ে স্বামী-সন্তান নিয়ে তাকে আশ্রয় নিতে হয় অন্যের বাড়িতে। খাবারের জন্য ঘুরতে হয় মানুষের দ্বারে দ্বারে।

বৃদ্ধা আমেনা বেগম বলেন, ‘একটি ঘরের জন্য চেয়ারম্যান-মেম্বরের দ্বারে দ্বারে ঘুইরাও পাই নাই। এরপর হুনছিলাম ইউএনও স্যার আমারে ঘর দিবো কিন্তু হেইটাও পাই নাই। প্রধানমন্ত্রী যদি আমারে একটা ঘর দিতো, মন ভরি দোয়া করতাম।’

স্থানীয়দের অভিযোগ, এমন দুর্ভোগের শিকার এ পরিবারটি বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী ভাতা থেকেও বঞ্চিত। সেই সঙ্গে করোনা ও বন্যা পরিস্থিতিতেও পায়নি কোনো ত্রাণ-সামগ্রী।

এ বিষয়ে সাদুল্লাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. নবী নেওয়াজ বলেন, আমেনা বেগমের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। আর ধাপেরহাট ইউপি চেয়ারম্যান (প্যানেল) সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘আমেনা বেগমের বিষয়টি আমার জানা নেই। দেখি কিছু করা যায় কিনা।’

Print Friendly, PDF & Email

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *