Logo
Notice :
Welcome To Our Website...
গ্রুপ স্টাডি করতে বাসায় ডেকে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ-খুন

গ্রুপ স্টাডি করতে বাসায় ডেকে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ-খুন

নিজস্ব প্রতিবেদক // রুপ স্টাডি করার কথা বলে ডেকে নিয়ে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ করে এক বন্ধু। পরবর্তীতে রক্তক্ষরণে স্কুলছাত্রীর মৃত্যু ঘটে। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানী ঢাকার কলাবাগান এলাকায়। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে বন্ধু ফারদিন ইফতেখার দিহানের বিরুদ্ধে একটি মামলা করা হয়েছে। শুক্রবার (৮ জানুয়ারি) তরুণকে আসামি করে মামলাটি করেছেন ওই ছাত্রীর বাবা। শুক্রবার সকালে গণমাধ্যমকে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কলাবাগান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি/তদন্ত) আ ফ ম আসাদুজ্জামান। 

পুলিশ জানায়, ওই শিক্ষার্থীর বন্ধু দিহানকে একমাত্র আসামি করে তার বাবা বাদী হয়ে মামলাটি করেছেন। আমাদেরও ধারণা, তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। এ ছাড়া আনোয়ার খান মডার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকেও তেমন রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে। কারণ ধর্ষণের পর তার প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়।
ধর্ষণের শিকার ওই ছাত্রী রাজধানীর ধানমন্ডির মাস্টারমাইন্ড স্কুলের ‘ও’ লেভেলের শিক্ষার্থী। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে গ্রুপ স্টাডির কথা বলে তাকে অভিযুক্তের কলাবাগানের ডলফিন গলির বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়। ধর্ষণের পর রক্তক্ষরণ হলে নির্যাতিতাকে আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালে নিয়ে যান অভিযুক্ত নিজেই। এর মধ্যেই স্বজনদের কাছে খবর আসে, মারা গেছেন ওই শিক্ষার্থী।

স্কুলছাত্রীর কাজিন বলেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে জানতে পেরেছি যে ওদের রিপোর্ট অনুযায়ী ওকে ধর্ষণ করা হয়েছে। ধর্ষণের পর প্রচণ্ড রক্তক্ষরণের পরে তার মৃত্যু হয়েছে। তার যে সহপাঠী ছিল তারাই ওকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। তখন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পুলিশে খবর দেয়।

নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে। চিকিৎসকের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই মৃত্যু হয়েছে ওই শিক্ষার্থীর।

নিউমার্কেট জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার আবুল হাসান সাংবাদিকদের বলেন, ছেলের পরিবারের যারা ছিল, তারা কেউই বাসায় ছিল না। ছেলেটি একা বাসায় ছিল। কলাবাগানের ডলফিন গলির ওই বাসার দ্বিতীয় তলা থেকে আমরা প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করেছি। আমরা সব দিক খতিয়ে দেখছি যে, আসল আসামিকে শনাক্ত করে কঠোর আইনের আওতায় নিয়ে আসতে পারি। তিনি আরও বলেন, রক্তমাখা কিছু জিনিস পাওয়া গেছে। এসব আমরা আলামত হিসেবে জব্দ করেছি।’

Print Friendly, PDF & Email

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *