Logo
Notice :
Welcome To Our Website...
News Headline :
পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তির ২৪ বছর পূর্তি উপলক্ষে বরিশাল ১০নং ওয়ার্ড আ’লীগের আনন্দ র‌্যালি বরিশালে চাকরি প্রার্থীদের অর্ধকোটি টাকা নিয়ে লাপাত্তা আরএম গ্রুপ কুয়াকাটা সৈকতে রাতের আকাশে ফানুসের মেলা কাউন্সিলর হত্যা মামলার প্রধান আসামি ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত পটুয়াখালীতে ১৪ মণ জাটকা জব্দ, তিন ব্যবসায়ীকে জরিমানা গভীর রাতে সাজেকে ৪ রিসোর্ট পুড়ে ছাই, সাড়ে ৩ কোটি টাকার ক্ষতি বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে রেকর্ড সংখ্যক ভর্তির আবেদন বরিশালে পার্বত্য শান্তি চুক্তির ২যুগ পূর্তি উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পূস্পার্ঘ অপর্ণ যে কোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশ সদাপ্রস্তুত : প্রধানমন্ত্রী এবার বৃদ্ধাকে ধাক্কা দিলো সিটি করপোরেশনের ময়লার গাড়ি
চুমু খেলে বাড়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা

চুমু খেলে বাড়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা

অনলাইন ডেস্ক // চুমু খেলে ক্যালরি পোড়ে এ খবর বেশ পুরোনো। নতুন খবর হলো বারবার চুমু খেলে বাড়ে রোগ প্রতিরোধ শক্তি। নতুন এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাগ হোক বা প্রেম, খুশির সংবাদ হোক বা দুঃখের- চুমু খান!

নতুন গবেষণায় বলা হয়েছে, চুমু খেলে একধরনের ব্যাকটেরিয়ার আদান প্রদান হয়। ঠোঁটে ঠোঁটে চুমুর কারণে এর প্রশারও হয় ব্যাপক। দীর্ঘক্ষণ চুম্বনে নারী-পুরুষ দুজনের শরীরে এ ব্যাকটেরিয়ার প্রবেশ করলেই বাড়ে রোগ প্রতিরোধ শক্তি।

নেদারল্যান্ডস অর্গানাইজেশন ফর অ্যাপ্লায়েড সাইন্টিফিক রিসার্চের এক দল বিজ্ঞানী তাদের গবেষণায় এই ব্যাকটেরিয়া খুঁজে পেয়েছেন। তারা বলছেন, চুমু খাওয়ার সময়ে দুজনের জিভ স্পর্শে আসে। এক জনের লালা পৌঁছায় অন্যের শরীরে। ১০ সেকেন্ডের চুম্বনে ৮ কোটি ব্যাক্টেরিয়া বিনিময় হয় সঙ্গীদের দেহে। এটি ক্রিয়া করে প্রবেশের মাধ্যমে। পরে ক্রমশ শক্তিশালী হয়ে ওঠে। রোগের সঙ্গে লড়াই করার ক্ষমতা বেড়ে যায়।

প্রেমিক যুগল সবসময় নিজেদের সঙ্গ পেতে চায়। পাশাপাশি বা কাছাকাছি থাকলে দুজনের মধ্যে সম্পর্কটা গভীর করে চুমু। তাই গবেষকরা বলছেন, রাগ হোক বা প্রেম, খুশির সংবাদ হোক বা দুঃখের অন্তত আট-নয়বার চুমু খান!

বিজ্ঞানীদের বক্তব্য, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার সঙ্গে চুম্বনের সম্পর্ক নিয়ে এর আগে গবেষণা হয়নি। তবে আগে অনেক বিজ্ঞানীই জানিয়েছেন যে, শরীর যত ধরনের ব্যাক্টেরিয়ার সঙ্গে পরিচিত হবে, ততই বাড়বে রোগের সঙ্গে লড়ার ক্ষমতা। চুম্বন সেই কাজটাই করে। এক ব্যক্তির শরীরে উপস্থিত ব্যাক্টিরিয়া আর এক জনের দেহে যায়।

চুমুর আরও কিছু ভালো দিক আছে। যেমন-

চুমু খেলে ইমিউনিটি বাড়ে। জন্মগত চোখের সমস্যা দূর হয়। এ ছাড়া আরও বেশ কিছু জন্মগত জটিল রোগও সেরে যায়। ঠোঁটের সংস্পর্শে সাইটোমেগালোভাইরাস শরীরের নানা উপকার করে। তাই বলা হচ্ছে অন্তসত্ত্বা অবস্থাতেও এই অভ্যাস জারি রাখলে হবু সন্তানের জিনগত কোনো ত্রুটি থাকে না।

চুমু যেকোনো সম্পর্ককে আরও গভীরে যেতে সাহায্য করে। ঠোঁট, চিবুক, জিভে জিভ ঠেকিয়ে গভীর চুমুতে শরীরে হরমোনের তারতম্য হয়। ফলে আপনি আপনার প্রিয়জনের একটা গন্ধ পান। সেখান থেকেই তৈরি হয় গভীর বন্ধন।

ক্যালোরি পোড়াতে পাঁচ মিনিট টানা চুমু খেতে হবে। এই পদ্ধতি মোটামুটি ১০ মিনিট ট্রেডমিলে দৌঁড়ানোর সমান।

চুমু মুখের পেশি শক্ত থাকে। মুখের চামড়া দীর্ঘদিন টানটান থাকে। চিবুক শক্ত থাকে। গবেষণা বলছে চুমু খাওয়ার সময় মুখের ৩০ টি পেশি একসঙ্গে সক্রিয় থাকে।

স্ট্রেস থেকে মুক্তি- দৈনন্দিন জীবনে চাপ কার থাকে না। প্রতিনিয়ত বাড়ি অফিস সবখানেই নানা সমস্যায় ভুগতে হয়। সেক্ষেত্রে একটু চুমু খেলে শরীর থেকে ফিল গুড হরমোন নির্গত হয়। যা আপনাকে স্ট্রেস ফ্রি রাখবে। এমনকি আপনাকে রোম্যান্টিকও করে তুলবে।

Print Friendly, PDF & Email

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *